একটা বীজ। অঙ্কুরিত হল। চারাগাছ হল। ক্রমে বৃক্ষ
হল। মহীরুহ হয়ে ডালপালা মেলল। আকাশ অভিনন্দন জানাল। দেশ বিদেশের পাখি এসে বাসা
বাঁধল, আশ্রয় নিল। ছয় ঋতুতে গাছটার নানা বেশ হল। তার ফুলের সুগন্ধ,
ফলের উৎকর্ষতার চর্চা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ল। সে বৃক্ষ হল
আন্তর্জাতিক।
একটা তুলো। গাছ থেকে ছিঁড়ে বাতাসে উড়ে বেড়ালো। কখনও এদেশ, কখনও সে দেশ। যে দেশে যায় সে দেশেরই জল মাটি বাতাসের গন্ধ তার গায়ে। লোকে
ভেবে পায় না তার মৌলিকত্ব কি? সে তুলো গর্বের সাথে রোঁয়া
ফুলিয়ে বলে, "আরে বুঝছ না, আমিই
হলাম সত্যিকারের আন্তর্জাতিক"।
(এ গপ্পোটা কেন মনে হল বলি। শ্রদ্ধেয়া কৃষ্ণা
সোবতিজি যেদিন মারা গেলেন, Indian Express, The Hindu, এডিটোরিয়াল
পেজে তাকে নিয়ে লেখা লিখলেন। আমাদের আনন্দবাজারের কথা না হয় ছেড়েই দিলাম, তারা
খবরটুকু লেখার দরকারও মনে করেনি। টেলিগ্রাফ তারপরের দিন 'ফিফটি
শেডস অফ গ্রে' র লেখকের নতুন বই নিয়ে লিখল। আর 'দ্য বুক থিফ' লেখকের সাক্ষাৎকার নিয়ে তার আগাম বইয়ের
খপর দিল। সোবতিজি কে?!!
বোঝো!)
No comments:
Post a Comment