হরগোবিন্দ খোরানা। নামটা প্রায় বলাই হয় না। হয় তো ওনার জন্মস্থান
এখন পাকিস্তানের পাঞ্জাব বলে হবে। সেদিন পাকিস্তান ছিল না যদিও।
আজকের দিনেই নাকি এনারা প্রাণ ধারণের
গোপন সংকেতটি আবিষ্কার করেন। নোবেল কমিটি জানালো। জেনেটিক কোড। আমার তোমার ভাষা যেমন
মানুষী সংকেত, তেমন প্রাণের সঙ্গে প্রাণ যে ভাষায় কথা বলে, এও সেই সংকেতগুচ্ছ।
"সুরের সংকেত জাগে পুঞ্জিত বেদনার"।
প্রাণের গভীরে দুটো বেদনা, দুটো আশা
থাকে। এক নিজেকে বিকশিত করার, দুই, বৈচিত্র্যময়তার। ধারাবাহিকতা আর বৈচিত্র্যময়তাকে
নিয়ে প্রাণের এই যে যাত্রা, যার মধ্যে আমরা এক একটি বিন্দুমাত্র, সেই যাত্রাপথের ছন্দকে
যারা চেনান, যারা খোঁজেন, তাদের কথা যেন আমরা ভুলে না যাই। তারাই বারবার প্রমাণ করেন,
প্রকৃতির রহস্যময়তার সূত্র প্রকৃতি আমাদের মস্তিষ্কের মধ্যেই রেখে দিয়েছেন। চাবিকাঠি
হল, মন্থন। মনন। খোঁজ। অন্বেষণ। বাইরেটা আমাদের জাগাবে, ভিতর আমাদের খোঁজাবে। আপেল
মাটিতে পড়ে। কিন্তু মাধ্যাকর্ষণ সূত্র মাটিতে পড়ে না, মননে জন্মায়। খোঁজের তাগিদে আত্মপ্রকাশ
ঘটায়।
আমাদের ছেলেমেয়েরাও অনুসন্ধিৎসু হোক। এই আশা।

No comments:
Post a Comment