ভ্রমর
বাতাসকে বলল, তুমি ভারী
বুদ্ধু।
বাতাস বলল, কেন?
ভ্রমর বলল, সারাদিন থাকো ফুলের আশেপাশে, তবু চাও না একবিন্দু মধু।
বাতাস হাসল। ভ্রমর বলল, হাসলে যে! লুকালে বুঝি কিছু?
বাতাস বলল, না তো।
ভ্রমর বললে, বলো তবে কি পাও?
বাতাস বলল, ওর গন্ধ।
ভ্রমর ফুলকে বলল, আর তুমি কি পাও?
ফুল বলল, ওর স্পর্শ।
ভ্রমর বলল, ব্যস?! এতেই মেটে প্রয়োজন? এতেই এত হর্ষ!
বাতাস হাসল ফুলের মুখে চেয়ে। বলল, প্রয়োজন হলে মিটত। যেমন মেটে তোমার। তাই সে মধু বরাদ্দ তোমারই জন্য। সে আশা নেই ভাই। তাই চির অতৃপ্ত। সে অতৃপ্তিতেই তৃপ্ত। এখানে তৃপ্তি মানে কি জানো?
ভ্রমর বলল, কি?
বাতাস আর ফুল সমস্বরে বলল, মরণ! তাই পেয়েও না পাওয়াই সত্য।
বাতাস বলল, কেন?
ভ্রমর বলল, সারাদিন থাকো ফুলের আশেপাশে, তবু চাও না একবিন্দু মধু।
বাতাস হাসল। ভ্রমর বলল, হাসলে যে! লুকালে বুঝি কিছু?
বাতাস বলল, না তো।
ভ্রমর বললে, বলো তবে কি পাও?
বাতাস বলল, ওর গন্ধ।
ভ্রমর ফুলকে বলল, আর তুমি কি পাও?
ফুল বলল, ওর স্পর্শ।
ভ্রমর বলল, ব্যস?! এতেই মেটে প্রয়োজন? এতেই এত হর্ষ!
বাতাস হাসল ফুলের মুখে চেয়ে। বলল, প্রয়োজন হলে মিটত। যেমন মেটে তোমার। তাই সে মধু বরাদ্দ তোমারই জন্য। সে আশা নেই ভাই। তাই চির অতৃপ্ত। সে অতৃপ্তিতেই তৃপ্ত। এখানে তৃপ্তি মানে কি জানো?
ভ্রমর বলল, কি?
বাতাস আর ফুল সমস্বরে বলল, মরণ! তাই পেয়েও না পাওয়াই সত্য।
(ছবিঃ সমীরণ নন্দী)

No comments:
Post a Comment