কবিতাঃ আর না
প্রবন্ধঃ মাতৃভাষাঃ চেতনার প্রথম আলো
কল্যাণীর বিধানচন্দ্র মেমোরিয়াল গার্লস স্কুলের সুবর্ণ জয়ন্তী স্মারক পত্রিকায় আমার দুটো লেখাকে ওরা স্থান দিয়েছেন। আমি আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই নন্দিতাকে এবং প্রধান শিক্ষিকা শ্রদ্ধেয়া শুক্লাদিকে।
পত্রিকাটিতে Nandita র একটা প্রবন্ধ আছে। সে কিভাবে ধীরে ধীরে শিক্ষকতার মর্মে প্রবেশ করল তার
একটি মনোগ্রাহী বর্ণনা আছে। নিজে শিক্ষকতার সাথে যুক্ত বলে সেই প্রবন্ধের একটা অংশ
মনে খুব দাগ কেটেছে। কথাটা শতাংশভাগ সত্যি - "এই শিক্ষকতা পেশাটায় ইচ্ছে হলে
তুমি কাজে অগাধ ফাঁকি মারতে
পারো কিন্তু ছোট ছোট ছেলেমেয়েগুলোর চোখে সেই ফাঁকিটা, সেই চুরিটা ঠিক ধরা পড়ে যাবে।
তোমার ভিতরের তুমিটা কিছুতেই তোমাকে স্থির থাকতে দেবে না"
এটা বিরাট বড় কথা। আমার সৌভাগ্য
হয়েছিল উপরোক্ত বিদ্যালয়ের সুবর্ণ জয়ন্তীর অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার। সে এক অনবদ্য
অভিজ্ঞতা। মনে হল যেন কোনো বিদ্যালয় না, একটা যৌথ পরিবারে
এসে পড়েছি। বিদ্যালয়ের প্রাক্তন বয়স্কা শিক্ষিকাদের মধ্যে নিবিড় বন্ধুত্ব, বর্তমান শিক্ষিকাদের কাঁধে কাঁধে মিলিয়ে বিশাল কর্মযজ্ঞে অবতরণ,
যেন শতাধিক দশভূজা চারিধার দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। না হচ্ছে আতিথেয়তায়
ত্রুটি, না অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায়। এমনকি সামান্য কোনো
যান্ত্রিক গোলোযোগ দেখা গেলে টেকনিশিয়ানের আগে কোমরে আঁচল বেঁধে কোনো শিক্ষিকা
ক্ষিপ্রগতিতে উপস্থিত সেখানে। আমি অভিভূত হলাম এমন উৎসাহ, উচ্ছ্বাস, উদ্যমপূর্ণ একটা অনুষ্ঠানের
কিছুক্ষণের সাক্ষী হতে পেরে। আমার অনেক অনেক শুভকামনা ও প্রার্থনা রইল বিদ্যালয়ের
সার্বিক উন্নয়নের জন্য।



No comments:
Post a Comment