স্টেশনের একাকীত্বকে জানান দিয়ে
চলে গেল শেষ ট্রেন।
নীরস উপন্যাসটা বন্ধ করে
ঝরে পড়া পাতার মতো
বেঞ্চের কোণে বসে,
ভোরের ট্রেনের অপেক্ষায়।
চলে গেল শেষ ট্রেন।
নীরস উপন্যাসটা বন্ধ করে
ঝরে পড়া পাতার মতো
বেঞ্চের কোণে বসে,
ভোরের ট্রেনের অপেক্ষায়।
মাথার উপর এক আকাশ
নির্বাক নক্ষত্রপুঞ্জ।
মাটির গন্ধ মেশা একটা
সুর ভেসে আসছে।
দেখলাম-
একটা কুলি ওর ছোট্ট মেয়েকে
ঘুম পাড়াচ্ছে।
মেয়েটা হঠাৎ চোখ মেলে বলল;
"মা কোথায়?"
কুলি, চাঁদের দিকে দেখিয়ে দিল;
খুব স্বাভাবিকভাবেই।
তারপর, বাপ-বেটিতে আরও
কত খুনসুটি।
মেয়েটা বাবার বুকে মাথা গুঁজে
ঘুমিয়ে।
কখন যে, এদের এত কাছে এসে গেছি সে খেয়াল নেই।
ভেজা চোখে একটু হাসি
দু'জনেই অপ্রস্তুত।
মনে হল, চিৎকার করে
আকাশটাকে জিজ্ঞাসা করি-
কতটা গভীরতা থাকলে
এক সমুদ্র দুঃখকে লুকিয়ে রাখা যায়
একটু হাসির মাঝে?
No comments:
Post a Comment