গুরু মানে খুব বড় কথা। খুব বড় কথা। মানে আর কি ভীষণ বড় কথা। উফ বোঝাতে পারছি
না, মানে আরকি আরো আরো আরো বড় কথা। বুঝছেন আপনারা, কি গো?
মানে ব্রহ্মা, বিষ্ণু, মহেশ্বর এর পুরো প্যাকেজ,
বুইলেন কিনা? তা তাঁর লীলা আমাদের মত নগণ্য মানুষ বুঝি? তাঁর লিঙ্গ কি আর তাঁর নিজের
ইচ্ছায় চলে রে পাগলা! ওসব কৃপা। নাস্তিকের দল, ও সব কৃপা! লীলা, বুঝলি না রে মন! লীলা।
বিশ্বাসে মিলায় লিঙ্গ, থুড়ি, বস্তু, তর্কে বহুদূর! মানে কোর্ট কাছারি অবধি।
আমার কদ্দিনের শখ ছিল সাসারাম বাপুর কাছে পরকালটার
পথ সোজা করে নিই।
তা শুনলে? দিলে অমন সচ্চরিত্র মানুষডারে জেলে ভরে? বলে কি না ধর্ষণ, অভক্তের দল। ওরে
প্রভুর লীলা বুঝতে শেখ।
আচ্ছা আমারে একডা কথা একডু বুঝায়ে বলেন দেহি,
এই যে এত গুরু, গেরুয়া-সাদা নানা ব্র্যান্ডের, তা তারা যে শিষ্যদের না দেখেই, শুধু
ফর্ম ফিলাপের যোগ্যতাতেই মন্ত্র ফুঁকে কানে অধ্যাত্মিক পথ বাতলিয়ে দিচ্ছেন, একি কমোন
স্যান্সের ধর্ষণ নয়? বলি একডা মানুষ যে আমায় চেনে না, জানে না, তারই ছবি পূজো করতে
হবে, গুরু মানতে হবে, কারণ সে অমুক প্রতিষ্ঠানের প্রধান বা উপপ্রধান বলে? এতো সেই অমুক
পার্টি করলে পার্টির প্রধানের ছবি রাখার মত দেওয়ালে? রাজনীতিতে এটা বুঝি। কিন্তু ধর্মনীতিতে
একি ধর্ষণের চাইতে কম কিছু? কমোন সেন্স বলে যদি কিছু থাকে অবিশ্যি।
No comments:
Post a Comment