মানুষটা একটা ডোবার ধরে থাকত। ডোবার জলে নাইত। তার মাথায় ছিল দিগন্তলীন অসীম এক
সমুদ্র স্বপ্ন।
মানুষটা
কুঁড়ে ঘরে থাকত। কুঁড়ে ঘরেই ঘুমাতো। বর্ষা-বসন্ত-গ্রীষ্মের সাথে কুঁড়ে ঘরে একা
একাই কাটত। তার মাথায় ছিল জন-অরণ্যের একটি প্রান্তে মানুষে ঘেরা ঘর বাঁধার স্বপ্ন।
মানুষটা
সিদ্ধভাত একা একাই দুপুরে-রাতে খেত। ডোবার জলেই আঁচাতো। তার মাথায় ছিল এক বিরাট
দাওয়তের স্বপ্ন। অযুত নিযুত মানুষ বসেছে খেতে, কোলাহলে সে ছুটে ফিরছে এদিক ওদিক
সেদিক - চৌদিকে তার আনন্দ আনন্দ আনন্দ।
কিছুই
জানো হল না। মানুষটা মারাই গেল একা, তার নিঃসঙ্গ কুঁড়েঘরে কারেও গেল না দেখা।
শুধু
তার মাথা জোড়া উকুন, উড়ে উড়ে ফিরতে লাগল। তারা ডোবার জলে নাইলো, কুঁড়ের ছাদে
কাঁদল। তারপর উড়ে গেল তেপান্তরের মাঠে...তারা খুঁজছে স্বপ্ন-সাজা মাথা।
পেলেই বসবে, ঘর বাঁধবে, সোহাগ করবে
তারা বলে -
জীবন মানে খানিক স্বপ্ন, খানিক হল জাগা
আধা এবং আধা
পেলেই বসবে, ঘর বাঁধবে, সোহাগ করবে
তারা বলে -
জীবন মানে খানিক স্বপ্ন, খানিক হল জাগা
আধা এবং আধা
No comments:
Post a Comment