শুধু তো বিদ্যাসাগর নন, সত্যজিৎ রায়ও
তো।
আকাশে বুদ্ধপূর্ণিমার চাঁদ, নীচে শয়ে
শয়ে মানুষ, মাদলের তালে তালে নাচছে কত কত মানুষ, এক ছন্দে, এক তালে, ঘিরে ঘিরে।
বিদ্যাসাগর কার্মাটাড়ে চলে গিয়েছিলেন।
ছিলেন আদিবাসীদের মধ্যে। শান্তির খোঁজে। শহুরে মানুষদের দ্বিচারিতা, ভণ্ডামিতে শ্রান্ত
হয়ে।
সত্যজিতের ছুটদাদু? যে সারাবিশ্ব পরিভ্রমণ
করে বেড়িয়েছে? সে শহুরে সভ্যতাকে প্রশ্নের কাঠগোড়ায় দাঁড় করিয়ে কোথায় গেল শান্তির জন্য?
শান্তিনিকেতনে ছাতিমতলায়? পাহাড়ে? সমুদ্রের ধারে? জঙ্গলে? না। সাঁওতালদের গ্রামে। সে
তার ভাগ্নীকে চিনল কি করে? যখন ভাগ্নীর পা আদিবাসীদের পায়ের তালের সঙ্গে নেচে উঠেছিল।
ছুটদাদু কি সত্যজিৎ রায় নন? প্রশ্নগুলো,শহুরে সভ্যতার হতাশাটা কি সত্যজিতের নয়? আমরাও
ব্যঙ্গ করে বলতেই পারি, অতই যদি জংলীদের ভালো লাগে তবে ওদের সঙ্গে থেকে গেলেই পারেন?
উনি ক্ষোভের সঙ্গে বলবেন, দুর্ভাগ্যবশত আমি তো জংলী নই, আমার রক্তে ঘর ছাড়ার আগেই ঢুকে
গেছে.... রবীন্দ্রনাথ...
জীবনানন্দ..
বিদ্যাসাগর সশরীরে গিয়েছিলেন।





No comments:
Post a Comment