'দ্য এলিফ্যান্ট হুইস্পারার্সস', হাতিদের রাজ্যে নিয়ে
গেল, পরিচয় করালো, সম্পর্ক গড়ল।
পুরষ্কার পেলো বলে অনেক কথা, আলোচনাও হল।
Debasish
কদিন আগে ডুয়ার্স গিয়েছিল। সেখানে ওর চোখে হাতিদের দেখলাম। ওদের
গল্প শুনলাম। "শীতে আসুন, ওরা তখন জঙ্গলে তেমন খাবার
পাওয়া যায় না তো, তাই গ্রামের দিকে চলে আসে, আরো ভালো দেখা যায়"। সাফারির আন-অফিসিয়াল বিজ্ঞাপন।
আমাদের গোটা
বিশ্বকে চেটেপুটে খাওয়ার ভীষণ লোভ। এক কণা যেন বাদ না পড়ে। হাতির পিঠে চড়ে
ট্যুরিস্ট ঘুরছে। বন্য জীব দেখার ইচ্ছা। যেমন রাজস্থানে গিয়ে উটে চড়লাম। উটগুলো
রাউণ্ডের পর রাউণ্ড ঘুরে যাচ্ছে। তারা ক্লান্ত হচ্ছে? কে ভাবছে?
আমার দরকার
আমোদ। তাদের দরকার টাকা। দুটোতেই আপত্তি নেই, কিন্তু সীমাটা টানবে
কে? এ তো জড় নাগরদোলা না, এ তো প্রাণী।
আমার সৃষ্টি না। প্রাণের নিয়মে তাকে দেখা আমার হয়ে উঠছে না। তার দেওয়া পরিশ্রমটাই
আমার কাছে বাস্তব, তার শ্রান্তি, সুস্থতাটা
নয়, কারণ ওসব ভাবলে শিফট কমে যাবে।
"ওদের জন্য কত টাকা বরাদ্দ হয় সরকার থেকে জানেন?"
জানি, আবার জানিও না। যা বরাদ্দ, যা প্রাপ্য, তা কাগজে কলমে থাকা আর বাস্তবে থাকা কি এক? অভিজ্ঞতা
তো তা বলে না।






No comments:
Post a Comment