Showing posts with label প্রকাশিত রচনা. Show all posts
Showing posts with label প্রকাশিত রচনা. Show all posts

Saturday, August 29, 2020

গল্পপাঠ - জুলাই-আগস্ট ২০২০



 রবীন্দ্রনাথ লিখছেন, "পর্যবেক্ষণকারী মানুষ বিজ্ঞান রচনা করে, চিন্তাশীল মানুষ দর্শন রচনা করে, এবং সমগ্র মানুষটি সাহিত্য রচনা করে"। আরো এগিয়ে বলছেন, "সাহিত্য সর্বদেশের মনুষ্যত্বের অক্ষয় ভাণ্ডার"।

ফেসবুকে এসে, মনন ও সু-রসের চর্চায় যে কয়েকজন মানুষের সান্নিধ্য পেয়ে ধন্য বোধ করেছি, তাদের মধ্যে

Nahar Trina

একজন। তার মাধ্যমেই 'গল্পপাঠ' এর সাথে পরিচয়। এত বিচিত্র স্বাদের, এমন বৈচিত্র্যময় লেখার সম্ভার আমার বহুদিন কোথাও তেমন একটা চোখে পড়েনি। অনুবাদ সাহিত্য আমার ব্যক্তিগতভাবে ভীষণ পছন্দের, তার সাথে বিশ্বের নানা গুণীজনের সাক্ষাৎকার বাংলা ভাষায় পড়তে পারাটা সৌভাগ্যের। তার সঙ্গে উচ্চমানের নানা স্বাদের গল্প, প্রবন্ধ। 'গল্পপাঠ' - এ সবেরই আয়োজন পেলাম। এত সুসম্পাদিত, এমন যত্নসহকারে প্রকাশিত, এত নামী নামী লেখকের সৃষ্টি দ্বারা সমৃদ্ধ একটি পত্রিকায় যখন আমার লেখার ডাক পেলাম, সত্যি বলতে একটু কুণ্ঠাই লেগেছিল। আমি কৃতজ্ঞ রইলাম পত্রিকার নির্মাতাদের কাছে আমার লেখাটিকে স্থান দেওয়ার জন্য। আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা রইল পত্রিকাটির জন্য।


গল্পের লিঙ্কঃ একটি কুসুম রইলে বাকি

 

Monday, February 3, 2020

অনুষ্টুপ - বইমেলা সংখ্যা


মস্তিষ্কের রসদ আনার জন্য, 'অনুষ্টুপ' এর পরিচয়ও তাই - 'মননশীল পাঠকের পত্রিকা ও প্রকাশন'। শ্রদ্ধেয় অরিন্দম চক্রবর্তী, শ্রদ্ধেয়া গায়ত্রী স্পিভাক প্রমুখ মানুষদের লেখা সংগ্রহর তাগিদ টেনে নিয়ে যায়।

শ্রদ্ধেয় Sandipan দার কাছে কৃতজ্ঞতা আর ঋণের অবধি নেই আমার, অনুষ্টুপ পত্রিকার এবারের সংখ্যায় আমার একটা লেখাকে স্থান দেওয়ার জন্য। সশ্রদ্ধ প্রণাম জানবেন দাদা। (স্টল নাম্বার - ৩১২)


Wednesday, April 18, 2018

সব খবর

        ...এমনকি আমার বাবার জন্মও বাংলাদেশে। জন্ম থেকে বাবা,জেঠু, ঠাকুমা, ঠাকুর্দা আরো আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে সে দেশের কথা শুনে শুনে বড় হওয়া। ঠাকুমার চোখ উপচে জল পড়াতে সে দেশের মাটির গন্ধ পাওয়া। ফলত সে দেশ আমার আবেগের সাথে জড়িয়ে। মানচিত্রের বাংলাদেশের থেকে জীবন্ত আমার ভাষার, সংস্কৃতির, আবেগের বাংলাদেশ। 
        সেই দেশের কোথাও যখন আমার কোনো লেখা প্রকাশের খবর পেলাম স্বাভাবিকভাবেই আবেগতাড়িত হয়ে উঠলাম। আন্তরিক ধন্যবাদ আর কৃতজ্ঞতা জানাই শ্রদ্ধেয় Abu Hasan Shahriar জীকে তিনি আমায় এর যোগ্য মনে করেছেন বলে।

লেখাটির লিঙ্কঃ ক্লিক করুন

Sunday, March 25, 2018

ভাবনা - শীত সংখ্যা - জানুয়ারী ২০১৮





কিছু উপহারের সাথে ভালোবাসা ক্রিমের মত মাখানো থাকে। তানিয়া আর সম্পাদক শ্রী প্রশান্ত মহাশয়কে অনেক অনেক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই এত আন্তরিক বার্তা সহ উপহারটার জন্য।




Saturday, December 2, 2017

বৈঠকী আড্ডা - শারদ সংখ্যা ২০১৭


সকালটা খুব সুন্দর কাটল। দেবাঞ্জলি এলেন সকালবেলা। ওনাদের পত্রিকা 'বৈঠকী আড্ডা'-র উৎসব সংখ্যায় আমার একটা গল্পকে (কি দ্বিধা রেখে গেলে) ঠাঁই দিয়েছেন। আমার লেখা কেউ ছাপবেন বললেই আমি অত্যন্ত কুণ্ঠিত হই। মনে হয় যেন বরকে ছেড়ে বরযাত্রী বসে গেছে বরের আসনে।
 
পত্রিকাটা দারুণ। অনেকগুলো লেখা পড়লাম। দুর্দান্ত কিছু গল্প আর কবিতা সংকলন। খুব যত্ন নিয়ে বানানো। সুমনের একটা ছবিও আছে। দেবাঞ্জলির সাথে অনেক গল্প হল। ওনাদের পরিশ্রম, নিষ্ঠা সত্যিই প্রশংসনীয়। অনেক অনেক ধন্যবাদ দেবাঞ্জলি আজ সব কিছুর জন্য। ভালো থাকুন আর পত্রিকাটার দীর্ঘপথ আর সাফল্য কামনা করি।




Friday, March 24, 2017

পলাশ কথা ২০১৭



Dibakar দার সম্পাদিত পত্রিকা - পলাশ কথা। দিবাকরদাকে চেনার আগেই দিবাকরদার তোলা আর আঁকা ছবিতে মন কেড়েছিল। এখন আমার সৌভাগ্য যে এমন মানুষের বন্ধু হতে পেরেছি।
পত্রিকার প্রসঙ্গে আসি, কি যত্নসহকারে পত্রিকাটা বানানো তা হাতে নিয়ে বুঝলাম। প্রথম কথা, পলাশকে কেন্দ্র করে এমন একটা পত্রিকার ভাবনাটাই অভূতপূর্ব। পলাশ তো শুধু চোখে না, মর্মে কথা বলে। এক তো তার রূপে, দুই তার আসার সময়টার জন্য। সারা প্রকৃতি যখন পুরানোকে ত্যাগ করে নতুন হতে শুরু করেছে তখন তার বুকের ভিতর থেকে এমন একটা রঙ জন্মালো সে যেন প্রেমের চিরকালের ভাষা। 



বইটা পাওয়ার পর বেশ কিছু লেখা পড়লাম, ভীষণ সুন্দর মৌলিক সব লেখা। আবারও বলি, এত যত্ন নিয়ে ছাপা পত্রিকা সত্যিই খুব কম। পাতার গুণগত মানও প্রশংসার দাবী রাখে। দিবাকরদাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এমন মানের একটা পত্রিকায় আমার দুটো লেখাকে ঠাঁই দেওয়ার জন্য। সাথে Samiranদার তোলা অসামান্য একটা ছবি। আর অবশ্যই বলতে হয় মন কাড়া প্রচ্ছদ Sudhi Ranjan দার।



Friday, February 26, 2016

বিধানচন্দ্র মেমোরিয়াল গার্লস স্কুল ২০১৬


কবিতাঃ আর না


প্রবন্ধঃ মাতৃভাষাঃ চেতনার প্রথম আলো

কল্যাণীর বিধানচন্দ্র মেমোরিয়াল গার্লস স্কুলের সুবর্ণ জয়ন্তী স্মারক পত্রিকায় আমার দুটো লেখাকে ওরা স্থান দিয়েছেন। আমি আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই নন্দিতাকে এবং প্রধান শিক্ষিকা শ্রদ্ধেয়া শুক্লাদিকে।
 


পত্রিকাটিতে Nandita র একটা প্রবন্ধ আছে। সে কিভাবে ধীরে ধীরে শিক্ষকতার মর্মে প্রবেশ করল তার একটি মনোগ্রাহী বর্ণনা আছে। নিজে শিক্ষকতার সাথে যুক্ত বলে সেই প্রবন্ধের একটা অংশ মনে খুব দাগ কেটেছে। কথাটা শতাংশভাগ সত্যি - "এই শিক্ষকতা পেশাটায় ইচ্ছে হলে তুমি কাজে অগাধ ফাঁকি মারতে পারো কিন্তু ছোট ছোট ছেলেমেয়েগুলোর চোখে সেই ফাঁকিটা, সেই চুরিটা ঠিক ধরা পড়ে যাবে। তোমার ভিতরের তুমিটা কিছুতেই তোমাকে স্থির থাকতে দেবে না"

এটা বিরাট বড় কথা। আমার সৌভাগ্য হয়েছিল উপরোক্ত বিদ্যালয়ের সুবর্ণ জয়ন্তীর অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার। সে এক অনবদ্য অভিজ্ঞতা। মনে হল যেন কোনো বিদ্যালয় না, একটা যৌথ পরিবারে এসে পড়েছি। বিদ্যালয়ের প্রাক্তন বয়স্কা শিক্ষিকাদের মধ্যে নিবিড় বন্ধুত্ব, বর্তমান শিক্ষিকাদের কাঁধে কাঁধে মিলিয়ে বিশাল কর্মযজ্ঞে অবতরণ, যেন শতাধিক দশভূজা চারিধার দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। না হচ্ছে আতিথেয়তায় ত্রুটি, না অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায়। এমনকি সামান্য কোনো যান্ত্রিক গোলোযোগ দেখা গেলে টেকনিশিয়ানের আগে কোমরে আঁচল বেঁধে কোনো শিক্ষিকা ক্ষিপ্রগতিতে উপস্থিত সেখানে। আমি অভিভূত হলাম এমন উৎসাহ, উচ্ছ্বাস, উদ্যমপূর্ণ একটা অনুষ্ঠানের কিছুক্ষণের সাক্ষী হতে পেরে। আমার অনেক অনেক শুভকামনা ও প্রার্থনা রইল বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নের জন্য।

Tuesday, March 3, 2015

উদ্বোধন পত্রিকা - ফাল্গুন সংখ্যা

 



এবারের ফাল্গুন সংখ্যার উদ্বোধন পত্রিকায় আমার একটি লেখা প্রকাশিত হয়েছে। আমার বন্ধু ও শুভানুধ্যায়ীদের জন্য লেখাটি দিলাম। সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ যাঁরা আমার লেখার সাথে থাকেন আর আমায় অনুপ্রাণিত করেন, প্রশ্রয়ে, স্নেহে, ভালাবাসায়।