Showing posts with label কবিতা. Show all posts
Showing posts with label কবিতা. Show all posts

Sunday, March 17, 2024

বসন্তই জানে



 বসন্তই জানে

ক্ষণকালের পাত্রটুকু 

মাধুর্যে ভরিয়ে দিতে যা লাগে


সে আর কিছু না


লাগে কয়েক লহমার পাগলামি


( ছবি Debasish Bose)

Sunday, March 10, 2024

আনন্দ পরমাদ

তার দিকে তাকিয়ে থাকে রোদ

তার দিকে তাকিয়ে থাকে গাছ

আর তাকিয়ে ডালে বসে থাকা পাখি


তার জন্যে ভেসে বেড়ায় বাতাস

তার জন্যে আকুল ফুলের গন্ধ

তার জন্য ফিরে ঘুরে আসে দিন

তার জন্য ঘুরে ফিরে আসে রাত

তার চোখের পলকে পলকে

 এত ছন্দ, এত সুর, এত আনন্দ-পরমাদ


তার মুখের উপর

    এক উদাসীন নিষ্ঠুরের বাস

তার বুকের উপর ছলনাময় নদী


সে ডাকে

    

ফিরে আসার রাস্তায় ওড়ে ধুলো

সূর্যাস্তের রঙে জাগে বিষাদ

তার স্মৃতি নিশাচরের মত জাগিয়ে রাখে রাত


ভোর হয়

তারই জন্য আবার

শিশিরভেজা ঘাসে

     তারই সুস্পষ্ট পায়ের ছাপ

Friday, March 8, 2024

এখনও

 এখনও দক্ষিণেশ্বর মন্দিরপ্রাঙ্গণে সে ঘরটা,

 সে খাটটা আছে

যেখানে শ্রীরামকৃষ্ণ বসতেন 


সেই মেঝেটা আছে

যেখানে তিনি নরম পা দুটো রাখতেন

সে জুতোটাও আছে

যে জুতোটা অমন দেবতুল্য শরীরটা বহন করত 


এখনও কথামৃত ছাপা হয়

এখনও দোকানে, বাড়িতে, বাসে, অটোতে

শ্রীরামকৃষ্ণের ছবিটা দেখা যায় 


এখনও অমন দেবতুল্য মুখটা

বিপদে, সংশয়ে, জাগরণে, ঘুমে

  হৃদয়ে উদ্ভাসিত হয় 


বারবার শুনি

  দেবতুল্য কণ্ঠে সে বাণী

       ঈশ্বর, আল্লাহ, গড, 

          নামের পার্থক্য রে

             একজনকেই ডাকছে সবাই

                 দুই বলে কিছু নেই


বিশ্বাস করেছি

কারণ শ্রীরামকৃষ্ণকে বিশ্বাস করেছি

   নিজের থেকে বেশি,

      নিজের সব দুর্বুদ্ধি, স্বার্থবুদ্ধি থেকে বেশি

        অসহায় কান্নায় বারবার বলতে বাধ্য হয়েছি

              আমাকে বাঁচাও

                    আমার দৈন্য থেকে, ক্ষুদ্রবুদ্ধি থেকে


সত্যের শরীর হয় না 

   প্রেমের শরীর হয় না

      

আত্মা হয়


লাথিটা লেগেছে 

   ভীষণ জোরে লেগেছে

         আমার বুকে না

    

   আমার ঠাকুরের বুকে  


    একের বুকে

        দুই নেই যে!

Thursday, March 7, 2024

তার কাছে কি খবর গেল?

যে অসম্ভবকে সম্ভব করতে পারে 

তার সামনে ভীষণ ভিড় 


এত ফুল। এত দক্ষিণা। 


সে তৃষিত চোখে রাস্তার দিকে তাকিয়ে

কেউ “মা” বলে ডেকে গেল

কিছু না চেয়ে 


যে অসম্ভবকে সম্ভব করতে পারে 

সে আরেকবার সে ডাকটা শুনবে বলে 


অপেক্ষায় ডুবে গেল 


কত কেউ তো এলো গেল

কত মন্ত্র, কত স্তব, 

কত কী তো হয়ে গেল


সে কই?


যে কিছু না চেয়ে

শুধু “মা” বলে ডেকে গেল


যে অসম্ভবকে সম্ভব করতে পারে 

তার চোখের কোলে এক পশলা বৃষ্টি জমল


তার কাছে কি খবর গেল?

Tuesday, February 27, 2024

প্রতিফলিত হোক

শুধু এইটুকু হোক

সামনে এসে দাঁড়ালে

তোমার প্রয়োজনটাও

আমার প্রয়োজনের পাশাপাশি 

প্রতিফলিত হোক 


শুধু এইটুকু হোক

পাশে এসে বসলে

তোমার যা কিছু খামতি

   তার পাশাপাশি

যা কিছু খামতি আমারও 

তাও প্রতিফলিত হোক 


শুধু এইটুকু হোক

সাহায্যের হাত বাড়াই যখন

অহমিকা না,

 প্রাণে বয়ে যায় 

      যে প্রসন্নতার ধারা 

        শুধু সে শান্তিই প্রতিফলিত হোক


শুধু এইটুকু হোক

Friday, February 23, 2024

শূন্য

তুমি সে নও

যে তুমি ধ্রুব। শাশ্বত। চিরকালের। 


সে মিথ্যা


তুমি সে

যার নয়নে নয়ন রেখে দেখি

বালির স্রোতের মত সরে সরে যাওয়া

  ভঙ্গুর, অ-ধ্রুব, চঞ্চল এ সংসারকে


নিরুদ্বেগ, শান্ত, আত্মমগ্ন হয়ে

  

 যে আত্মমগ্নতাও হবে

       নির্বাপিত 

                মোহনায়

                           মহাশূন্যে


নূপুরের সুর বাজে কানে

     অভিসারে চলেছেন রাধা

            চিরকালের ঘর বাঁধার মোহকে 

                            দাহ করে

               সে দহনের তাপে

                     প্রেমের চূড়ান্ত মাধুর্যকে ছেনে

                          নিজেকে উজাড় করে দিতে

                              সেই বাঁশির চুম্বনে 


           যে বাঁশির চুম্বন

              সবটুকু নিয়ে

                     ফিরিয়ে দেয় না কিছু

           ফিরে পাওয়ার সব আকাঙ্খাকে শূন্য করে

Saturday, February 10, 2024

মোহ


সময় যায়। মনও যায়।


তার সাধ, সময়ের প্রতিটা পায়ের ছাপের পাশে

    থাকবে তার নিজেরও পায়ের ছাপ।


তাই কি হয়? 

বিধ্বস্ত হয়ে ফিরে আসে

বিষণ্ণ। 


জিজ্ঞাসা করে,

"আমাকে থামালে না কেন?"


বলতে চাই কিছু,

দিতে চাই কৈফিয়ত, 

এমন সময় তারা খসে

   কোনো এক আকাশে 

সে আবার দৌড়ায় রুদ্ধশ্বাসে

কোনো এক অপূর্ণ ইচ্ছা কাঁখে করে 


অগুনতি তারা

অগুনতি ইচ্ছা অপেক্ষায় 

    প্রতিটা তারা খসার 


কত ব্যর্থতায় ভাঙে

        এক জন্মের মোহ?


Tuesday, January 30, 2024

শান্তি। শান্তি। শান্তি।



শান্তি। শান্তি। শান্তি। 


অক্রোধ। প্রেম। মৈত্রী। 


আলো। বাতাস। জল।


মাটি। নীড়। পথ। 


গৃহী। সন্ন্যাসী। যাত্রী। 


শান্তি। শান্তি। শান্তি। 


(ছবি Debasish Bose)

Saturday, January 27, 2024

বইমেলায়

 আগামীকাল বইমেলায় 

    হাজার হাজার মানুষের ভিড়ে 

          আমিও হয় তো থাকতে পারি। 


যদি চলতে ফিরতে হয় দেখা, হই মুখোমুখি 

      বইয়ের ভিড়ে, বইয়ের ফাঁকে

                 "এই তো তুমি"

             এমন ভাবে তো ডাকতেই পারি। 


সাড়া দিতে হয় দিও

    নাও দিতে পারো


   তবু দেখা হওয়ার প্রত্যাশা তো করতেই পারি।

Tuesday, January 16, 2024

অনায়াসে

 রোগ-শোক-জরা-মৃত্যু এড়িয়ে কতদূর যাবে?


 একফালি রোদের মত

         কিম্বা মাটির বুকে জমা 

                এক আঁজলা স্বচ্ছ জলের মত

                    এখানে সেখানে

                        অল্পস্বল্প ছড়িয়ে আছে সুখ

  যে সুখের শিকড় বেয়ে যাতায়াত করে শান্তিরস


              অনায়াসে


এইটুকুই তো আরাম

     কয়েকটা ছোটো-ছোটো পা ফেলার স্মৃতি  

                  অসমান মাটিতে


               অনায়াসে

Sunday, January 14, 2024

একলা আসে না

রোদ একলা আসে না।

তুচ্ছাতিতুচ্ছকেও আলোকিত করে আসে। 


ভালোবাসা একলা আসে না। 

তুচ্ছাতিতুচ্ছকেও আগলে ঘিরে বসে। 


রোদ তো শুধু আকাশে ধরে না।

সে মাটি ধুলো জল 

  বাছবিচার না বাসে। 


স্নেহ তো শুধু নিজেতে ধরে না

মান-অপমান সব ছাপিয়ে 

      দশ-দিগন্তে ভাসে।

Tuesday, January 9, 2024

তোমার ঘরে এলাম

তোমার ঘরে এসে দাঁড়ালাম


উদারতা


তোমার ঘরের এক কোণায় বসতে এলাম 


গ্রহণশীলতা। 


অর্থের থই অর্থ খুঁজে পাব না জানি


তোমার উপলব্ধির নীলাকাশ


রেখেছ খুলে


আগলহীন অহর্নিশ 


ওগো নীরবতার


নির্ভরতা। 


তোমার ঘরে অবশেষে


বাঁচতে এলাম


আস্থা সুধায় দৃষ্টি-শ্রবণ নিকাতে এলাম


ওগো দ্বন্দ্ব পারের 


প্রসন্নতা। 


তোমার ঘরে বাঁচতে এলাম


প্রাণময়তা


তোমার ঘরের একটি কোণে বসতে এলাম


সঙ্গীতময়তা।

Sunday, December 24, 2023

দ্বা সুপর্ণা

অন্য কেউ না


আমিই দেখে চলেছি আমাকে

   

গ্রীষ্ম বর্ষা

       শীত বসন্ত  


 কথার ভিড়। কথা শূন্যতা। 

   হিংসা। রাগ। অভিমান।

      ভালোবাসা। ভয়। মান। অপমান। 

          

 আমিই সাক্ষী আমার। একা। 


তবু একা হই। সঙ্গী খুঁজি। 

  যে সাক্ষী হবে আমার সঙ্গে আমার। 


হয় না। 


অনুভবের সীমারেখা থাকে

    সাক্ষী হই সে সীমারেখার


তখন নতুন একাকীত্ব 

  

বিগত একাকীত্বকে

       ফিরে পাওয়ার একাকীত্বকামী 

                 আরেক একাকীত্ব 

                        বিষণ্ণ সে 


সে বিষণ্ণতারও সাক্ষী আমি 


   দীর্ঘ আত্ম-পরিক্রমণের পর

         একদিন ছুটি চাই


  আর নিজের সাক্ষী না

         এই অতন্দ্র প্রহরীপনা থেকে মুক্তি চাই


   অন্ধকার শূন্য গহ্বরের দিকে দু হাত তুলে জিজ্ঞাসা করি


  কেউ আছ?


    আমার এই অতন্দ্র ক্লান্ত সাক্ষী থাকার 

                সাক্ষী? 


  করুণা হয় না?  

       

     যদি থাকো কেউ

          আমার এ যুগান্তরের সাক্ষী থাকার সাক্ষী


     তবে সে-ই হবে তোমার পরম করুণা 


      কেউ কি আছ? 


 


  আবার সাক্ষী হই


       এ কাঙালপনার 


           যে করুণাকামী


     

নিজের প্রতি করুণ হই


বুঝি

 

  যে সাক্ষী


    আর যার সে সাক্ষী


       তারা দুই নয়


   একই পাখির ছায়া

     

        আরেকটা পাখি 


   উপনিষদের দ্বা সুপর্ণা

Saturday, December 23, 2023

যদি তুমি বলো

যদি তুমি ভাবো, নেই


তবে নেই


যদি তুমি ভাবো, আছে


তবে আছে


যদি তুমি ভাবো, আকার


তবে আকার


যদি তুমি ভাবো, নিরাকার 


তবে নিরাকার


যদি তুমি ভাবো, মিথ্যা 


তবে, মিথ্যা

    সে সত্যতেই না হোক সে সত্য 


কিন্তু এ খেলা খেলতে খেলতে

   যদি কোনোদিন বলো,

             হিংসা


তবে হবে ভুল 


  ভালোবাসাহীনতা 

      ভালোবাসার আকাঙ্খাই শুধু

                হয় তো বা অভিমান

 কিন্তু সত্য নয়

      

প্রভুতাহীন বাঁধন 


সে


   পরম স্বাধীনতা

Tuesday, December 19, 2023

কোন মুক্তির মোহে


 তুমি যাকে শুচিতা বলো

তাও প্রকারান্তরে অস্পৃশ্যতার বিকার


তোমার দেবালয় থেকে হৃদয়

কেউ মুক্ত নয়


তুমি তবে কোন মুক্তির মোহে নিজেকে ভোলাও?


(চিত্রগ্রাহকঃ Suman Das)

Tuesday, December 12, 2023

ভয়

বড় অন্ধ অভিভাবকত্ব চারদিকে

স্তব্ধ ফেনিল শব্দে গড়া বাক্য

   কয়েক পা এগিয়ে ক্লান্ত

       অর্থশূন্যতার ভারে 

একটা অস্বাস্থ্যকর সহনশীলতা শুধু

       কুকুরের মত নিশ্চিন্তে ঘুমাচ্ছে

                     মাঝরাস্তায় 


উদ্বিগ্ন আমি, তুমি 

      ওরা, আমরা 


         সবাই 


আস্থা হারানো 

সতর্ক বিশ্বাসে বাঁধা সেতু 

   পার হতে হচ্ছে অহর্নিশি 

     ভয়, ভয় আর ভয়

Saturday, December 9, 2023

পুনর্নির্মাণ

এক একটা সময় তো আসবেই

  যখন সব কিছু মিথ্যা মনে হবে

       মনে হবে সবটুকু সাজানো

              অর্থহীন। মতলবী। 


যেন দশদিক

   সব খালি খালি, 

     নিজেকে মনে হবে

        পৃথিবীর সব চাইতে বড় বোকা

               শুধু ঠকে গেছি

                 শুধু অভিনয় করে গেছি 


আসলে 

এ পুনর্নির্মাণের সময়

কিছু একটা হচ্ছে

     গভীরে,

হয় তো কোনো আঘাতের মেরামত হচ্ছে

     কিম্বা কোনো হতাশার শুশ্রূষা চলছে

         কিম্বা হয় তো

     নীড়ের সব শুকনো ডালপালা-পাতা ইত্যাদি ফেলে

     আবার নতুন করে ঘর সাজানো চলছে 

  

সময়ই তো আবর্জনা বানায়

       আবার সেই তো সরায় আবর্জনা


অনেক প্রাণী যেমন খোলস বদলায়

    তেমন মনও,

       বহুবার খোলস বদলায়

           আবার নতুন হবে বলে


এই সময়টা বড় কঠিন, রুক্ষ, বেদরদী

    বড় সুরক্ষিত নয়


একটু সাবধানে থেকো

    নিজেকে দেখে রেখো


সব ঠিক হয়ে যাবে আবার 

    এ শুধু সময়

        পুনর্নির্মাণের সময়

              খোলস বদলের সময়

Monday, December 4, 2023

আছেন

উনি সুখী ছিলেন না। উনি একা ছিলেন না। 

একা ছিলেন না বলেই সুখী ছিলেন না। 

উনি বারান্দা, শোয়ারঘর, রান্নাঘর আর শৌচের ঘরকে বলতেন, 

      সংসার। 

উনি নানাবিধ সম্পর্ককে বলতেন,

      কর্তব্য। 

খারাপ ব্যবহার করতে দেখিনি কোনোদিন

          পেতে দেখেছি

উনি বলতেন,

      ভবিতব্য। 

ভবিতব্য যিনি লেখেন


তিনি, 

  ওঁর হাতে জ্বালা দীপ-ধূপ-ভোগ নিতে আসতেন। নিঃশব্দে। 


ওঁর এই ছিল জপের মন্ত্র -

     নিঃশব্দতা। 

উনি যখন যাচ্ছেন। পায়ে আলতা। কপালে লেপা সিঁদুর। চারদিকে উড়ছে খই। নাম উঠছে, হরিবোল। 


শুনতে পেলাম

    ওঁর গায়ে জড়ানো নামাবলীর চাদর হাওয়ায় উড়তে উড়তে বলছে


   ধীরে। আস্তে, আস্তে। 


ঘরে জমে থাকা 

    ওঁর গন্ধ 

মিলালো মৌসুমি বাতাসে, বসন্ত বাতাসে, গ্রীষ্মের হুতাশে 


    বছর ঘুরতে, না ঘুরতে। 


সেদিন ওঁর ঘরে ঢুকে বসলাম। 

কিচ্ছু চিহ্ন নেই। এমনকি ছবিও না। রঙ হয়েছে নতুন করে দেওয়ালে। 

ঘরে কত লোক। কত কথা। 

কারুর উচ্চারিত কোনো স্বরবর্ণ, কি ব্যঞ্জনবর্ণে উনি নেই।


কিন্তু আছেন। স্পষ্ট দেখলাম আছেন। 

ঘরের আনাচে-কানাচেতে এখনও স্পষ্ট জমে

নিঃশব্দতা

চিরুনির ফাঁকে আটকানো মাথার চুলের মত। 

    শব্দেরই আয়ু আছে 


নিঃশব্দতা?

       ন জায়তে মৃয়তে বা কদাচিন… 


উনি আছেন। 


উনি সুখী ছিলেন না। একা ছিলেন না। 

একা ছিলেন না বলেই সুখী ছিলেন না।

Saturday, December 2, 2023

অসংশয়

কথাগুলো স্বস্তি দেয় না আমায় 

   যে স্মৃতিগুলো

      মেঘলা আকাশের নীচে মেলা 

               কাপড়ের মত জাগিয়ে রাখে 

                          বৃষ্টির সতর্কতায়


তুমি ওদের মত

     তাড়া করে বেড়িও না আমায়

               থেকে অপেক্ষায়

      


সব বলে যাব তোমায়

      

অপেক্ষার ভার নিতে পারি না আজকাল

      মৃত্যু বড় আকস্মিক 

              অ-পথগামী


বিশ্বাস করি না তাকে


তবু যে কথারা

    যে স্মৃতিরা 

        এমনকি যে ভালোবাসারা

             স্বস্তি দেয় না আমায়


সব জানিয়ে যাব


   অসময়ে

        আড়ম্বরহীন 


তুমি শুধু অনপেক্ষ থেকো 

                অসংশয়

অত তো

তুমি সে মানুষ নও

আমিও সে নই


তবু অত তো

    খানাখন্দ নেই, 

         এই তো পারছি


      'হাঁটতে'


সুখ অত তো দরকারি নয়

যতটা পেলব অভ্যাস 


দুজনেই শিখে গেছি 

       

        'বাঁচতে'