অবনী কান্ত মাজি । বলুন তো কে? পারলেন না তো? বলছি, একজন আশি
ঊর্ধ্ব ধনবান হৃদয়বান মানুষ। কি করেছেন জানেন? বিশাল কাজ, এক্কেবারে যাকে বলে
সমাজসেবার চূড়ান্ত। তার জন্য ওনাকে সম্বর্ধনাও জানানো হয়েছে অবশ্য। কারা জানিয়েছেন
বলুন দিকিনি? রামকৃষ্ণ মিশন সেবা প্রতিষ্ঠানের সন্ন্যাসীরা। কেন বলুন তো? কি
ভাবছেন? তিনি দশজন মানুষের, থুড়ি, দরিদ্র নারায়ণের ওপেন হার্ট সার্জারি ফ্রিতে
করিয়েছেন? কিম্বা ভাবছেন লিভার কিম্বা কিডনি প্রতিস্থাপনে লক্ষ টাকা দিয়েছেন? হে
হে সে সব নয় গা। তিনি একখান স্বামীজীর ফাইবার গ্লাসের মূর্তি বানাবার
জন্য প্রচুর টাকা প্রদান করেছেন। আরেকজন NRI অবশ্যি টাকা দিয়েছেন, তবে যে না
কমপ্লিট হল। তা একা মানুষের পক্ষে এতবড় একটা কাজ সম্ভব করা বলুন দিকিনি? তাও এই
মাগ্যির বাজারে।তারপর কি হল জানেন? আমিও জানতুম না, পেপারে বড় করে বেরিয়েছে তাই
জানলুম। মন্ত্র উচ্চারণ করে সেই মূর্তি রামকৃষ্ণ সারদা স্বামীজীকে অর্পণ করা
হয়েছে।
আমার প্রাণটা আনন্দে টই-টুম্বুর জানেন। আমি দশখন্ড স্বামীজী
রচনাবলী আর কথামৃত, লীলাপ্রসঙ্গ আজই olx দেবো জানেন। এইসব কথাগুলো কিস্যু লেখে নি
গা ওরা! আমি এতদিন জানতুম 'বহুরূপে সম্মূখে তোমার......ব্লা ব্লা ব্লা ..আসলে
পুরোনো সংস্করন তো, হতেই পারে। আচ্ছা ভক্তগণ, ওই যে অর্পণ করলে, ওরা ওটা নিলেন?
মানে সেই যে, 'সে মন্দিরে দেব নাই, কহে সাধু...স্বর্ণ আর দর্পের বুদবুদ'....মনে
আছে?
স্বামীজীর আশঙ্কাই সত্য হচ্ছে তবে - "হিন্দুরা মানুষ-পুজো
করতে ভালোবাসে, সেদিকে তাদের আগ্রহ ঐকান্তিক। যদি আপনারা কিছু দীর্ঘকাল বেঁচে
থাকেন, তবে দেখতে পাবেন, আমাকেও বহু লোক পুজো করবে।" (বৌদ্ধভারত)
No comments:
Post a Comment