ইস্কনের
কোনো সন্ন্যাসী(
) রামকৃষ্ণদেব, বিবেকানন্দকে নিয়ে আপত্তিকর কথা বলেছে
বলে চারদিকে বেশ হইচই শুনছি। কিন্তু এতে অবাক হওয়ার কি আছে আমি তো বুঝছি না।
ইস্কনের প্রতিষ্ঠাতা অভয় চরণ দে, 'প্রভুপাদ' নামে যে ব্যক্তি পরিচিত, সে ব্যক্তি তো কথায় কথায়
শ্রীরামকৃষ্ণকে 'রাস্কেল' বলে সম্বোধন
করত। রামকৃষ্ণ মিশনের সাধুদেরও একইভাবে গালাগাল করত। শ্রীরামকৃষ্ণের
মত-পথ-ব্যক্তিত্ব পছন্দ না-ই হতে পারে, কিন্তু এইভাবে বলাটা
সে ব্যক্তির স্বভাবগতই ছিল। আমি কটা স্ক্রিণশট দিচ্ছি, জানি
পড়তে রুচিতে বাধবে। তবু এত কথা পড়ছি, এত প্রতিবাদ পড়ছি যে
আমার খুব আমার আশ্চর্য লাগছে, এটা আপনারা জানতেন না?
আমার
ব্যক্তিগত মত কি? এসবে আমল না দেওয়া। এতে শ্রীরামকৃষ্ণ,
বিবেকানন্দের ভাবের কিছুমাত্র ক্ষতি হচ্ছে না। তবে এটা আমার
সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত মতামত। কিছুদিন আগের এক বৈজ্ঞানিক মহাপুরুষ তো রামকৃষ্ণদেবকে
স্নায়ুরুগী প্রমাণ করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছিল। কি হল? কিচ্ছু
আসে যায় না।
তবে এ সবই
আমার ব্যক্তিগত মতামত। আপনাদের যাদের মনে হচ্ছে প্রতিবাদ হওয়া উচিত অবশ্যই
প্রতিবাদ করবেন। আমি শুধু আমার মতামতটা জানালাম মাত্র।
আর উক্ত
সন্ন্যাসীকে আমার কিছুই বলার নেই। সে তার গুরুর রাস্তাতেই হেঁটেছে। তবে ভালো না
লাগাটা, অমত হওয়াকে ভালোভাবে জানানোটা ভদ্রতা। শিক্ষা। রুচি। এ নিয়ে
তর্ক চলে না।
আমি সবার কাছে ক্ষমা চেয়ে
নিচ্ছি এই স্ক্রিণশটগুলোর জন্যে, কিন্তু বিষয়টাকে সবাই বড্ড হঠাৎ
হল ভাবে দেখছেন বলেই বলা। আপনারা শান্ত হোন। ভালো করে তলিয়ে দেখুন, এ বহু আগের অভ্যাস ওদের।
(লিঙ্কটা কমেন্টস
বক্সে দিয়ে রাখলাম)
** আরেকটা কথা,
কোনো কুরুচির, বা আক্রমণাত্মক কমেন্টস করবেন
না কারোর সম্বন্ধেই। আমার একান্ত অনুরোধ। আমাকে ডিলিট করতে হবে তবে। কারণ একটাই,
স্বামীজি চাইতেন না। এ সব কথা শুনলে হো হো করে হাসতেন। বিশ্বাস না
হলে স্বামীশিষ্য সংবাদ, স্বামীজির পদপ্রান্তে পড়ে দেখুন।
ঠাকুর বলতেন, রাগিসনি, রাগ চণ্ডাল। সংগত কথা বলবি, কিন্তু রাগ না।
মা হয় তো
বলতেন, দুটো শব্দই বই তো নয়।
এগুলো কোনোটিই
আমার বানানো বাক্য নয়। ওঁদেরই কথা, বিভিন্ন সময়ের।






No comments:
Post a Comment